* ​আগামী ১৪ আগস্ট আইভিএসি, মতিঝিল বন্ধ থাকবে * ​২৪ জুলাই,২০১৭ থেকে ভিসা ফি প্রদানের সহজীকরণ * ​চট্টগ্রাম আইভিএসি-তে এ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রয়োজন হবে না * ​বাংলাদেশী পর্যটকদের জন্য ভারতে প্রবেশ ও প্রস্থানের বিধিনিষেধের সহজীকরণ * ​ভিসা আবেদনকারীদের জন্য উপদেষ্টা * ​অ্যাপয়েন্টমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তন: * ​পাসপোর্ট বিতরনের সময় * ​মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নিয়মাবলী শিথিলকরণ * ​আইভিএসি, ময়মনসিংহের আওতায় এলাকা সমুহ * ​চিকিৎসা ভিসার নিয়মাবলী শিথিলকরণ * ​ই-টোকেন বিহীন ভিসা আবেদনপত্র
ভিসার জন্য প্রস্তুত

বাংলাদেশীদের জন্য ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশে ১২টি ভারতীয় ভিসা আবেদনপত্র কেন্দ্র (আইভ্যাক) আছে। সেগুলো গুলশান (ঢাকা), মতিঝিল (ঢাকা), মিরপুর রোড (ঢাকা), উত্তরা (ঢাকা), যশোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর এ অবস্থিত। ক্স ট্যুরিস্ট (টি) ভিসা ব্যতীত সব ধরণের ভারতীয় ভিসা ওয়াক-ইন পদ্ধতিতে কোন অনলাইন সাক্ষাতের তারিখ ছাড়া গ্রহণ করা হয়। ক্স বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী যারা চট্টগ্রাম বিভাগ, রাজশাহী বিভাগ এবং সিলেট মহকুমা (হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ এবং সিলেট) ব্যতীত অন্যান্য বিভাগ বসবাস করছে, তারা আইভ্যাক, গুলশান (ঢাকা)/ আইভ্যাক, মতিঝিল (ঢাকা)/ আইভ্যাক, মিরপুর রোড (ঢাকা)/ আইভ্যাক, উত্তরা (ঢাকা)/ আইভ্যাক, খুলনা/ আইভ্যাক, ময়মনসিংহ / আইভ্যাক, যশোর / আইভ্যাক, বরিশাল / আইভ্যাক, সিলেট- এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে। যেসব পাসপোর্টধারী চট্টগ্রাম বিভাগ এর বাসিন্দা, তারা আইভ্যাক, চট্টগ্রাম- এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে। বাংলাদেশী নাগরিক, যারা রাজশাহী বিভাগে বাস করছে, তারা আইভ্যাক, রাজশাহী/ আইভ্যাক, রংপুর- এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে। ক্স অন্যান্য বিদেশী নাগরিকরা আইভ্যাক, গুলশান, ঢাকা এবং সহকারী ভারতীয় হাই কমিশন, চট্টগ্রাম- এ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে। ক্স ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদনকারী বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদেও কোন ভিসা ফি প্রয়োজন নেই। ক্স অন্যান্য বিদেশী নাগরিকদের ভিসা ফি দেয়া প্রয়োজন যদি না তারা ভারত সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী ভিসা ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে অব্যাহতি পায়। ক্স বাংলাদেশের যেকোন আইভ্যাক এ ভিসার জন্য আবেদনকারী সকল ব্যক্তিবর্গেও ভিসা প্রসেসিং ফি (ভিপিএফ) পরিশোধ করতে হবে। আপনার ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান হতে পারে যদি আপনি:- ক্স জীবনের জন্য হুমকীসরূপ কোন সংμামক রোগে ভোগেন। ক্স মানসিক রোগে ভোগেন এবং চিকিৎসা ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে ভারতে ভ্রমণ করেন। ক্স নিজে মাদকাসক্ত বা মাদক পাচার করেন। ক্স অপরাধী বা কোন দেশে অনিষ্পনড়ব কোন অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে থাকেন। ক্স কোন দেশ হতে দ্বীপান্তুরিত বা বহিষ্কৃত হয়ে থাকেন। ক্স অপর্যাপ্ত/ অসম্পূর্ণ/ মিথ্যা কাগজপত্র দিয়ে থাকেন। ক্স অবৈধ ভ্রমণ নথির অধিকারী হয়ে থাকেন। ক্স প্রাসঙ্গিক কোন তথ্য গোপন করে থাকেন। ক্স অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে এমন কোন ভিত্তিতে, যা আবেদনকারীকে ভিসার জন্য অযোগ্য হিসাবে পেশ করবে, যা আবেদনকারীর কাছে মৌখিকভাবে বা লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করে জানানো হবে, এমন কোন কথা নেই। ভারতে প্রবেশের শর্ত:- ক্স বৈধ ভিসা থাকার পরেও ভারতে আপনার প্রবেশ রধ হয়ে যেতে পারে যদি মিথ্য বিবরণের মাধ্যমে ভিসা অর্জন করা হয় অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় গোপন করা হয়, আপনি সে বিষয়গুলোতে অবগত থাকেন বা না থাকেন। ক্স আপনার আবেদনের দিন ও ভারতে প্রবেশের দিনের মধ্যে পরিস্থিতির কোন পরিবর্তন ঘটলে। ক্স একজন ইমিগ্রেশন অফিসার ভারতে আগমনের সাথে সাথে যে কাওকে মেডিকেল পরীক্ষা করাতে পারে, যদি সে প্রয়োজন বলে বিবেচনা করে। ক্স আপনি অবশ্যই ভারতে কোন চাকরির বা আনুষ্ঠানিক পড়াশোনা/ গবেষণার দায়িত্ব নিতে পারবেন না যদি না কর্মসংস্থান ভিসা বা যথাযথ ভিসা আপনাকে মঞ্জুর করা হয়। ক্স অবস্থানের বৈধ মেয়াদ শেষ হওয়ার মধ্যেই আপনাকে অবশ্যই ভারত ত্যাগ করতে হবে যদি না ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্বারা আপনার অবস্থানের মেয়াদ সম্প্রসারণ করা যায়। ক্স আপনাকে অবশ্যই নিকটবর্তী বিদেশীদের আঞ্চলিক নিবন্ধন অফিস (এফআরআরও)-তে নাম নিবন্ধন করতে হবে, যদি মেডিকেল/মেডিকেল এটেনডেন্ট ভিসা ব্যতীত বাকী সব ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে ভারতে আপনার অবস্থান ছয় মাস মেয়াদ অতিম করে। মেডিকেল/মেডিকেল এটেনডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে, ভারতে আগমনের ১৪ দিনের মধ্যে নিকটবর্তী এফআরআরও)-তে নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক।  অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে এমন কোন ভিত্তিতে, যা আবেদনকারীকে ভিসার জন্য অযোগ্য হিসাবে পেশ করবে, যা আবেদনকারীর কাছে মৌখিকভাবে বা লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করে জানানো হবে, এমন কোন কথা নেই। কূটনৈতিক/ অফিসিয়াল পাসপোর্টধারী: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক জারিকৃত কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী / অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীগণ এর ভারতে ভ্রমণ করা এবং ৪৫ দিন পর্যন্ত অবস্থান করতে কোন ভিসা প্রয়োজন হয়না। নি¤ড়বলিখিত শেণীর আবেদনকারীরা অনলাইনে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারে এবং তাদের অনলাইন ভিসার আবেদন ব্যক্তিগতভাবে বা কোন বৈধ প্রতিনিধির মাধ্যমে ভারতীয় হাই কমিশন, ঢাকা-তে কার্যদিবসগুলোতে ১০০০ ঘটিকা থেকে ১৩০০ ঘটিকার মধ্যে জমা দিতে পারে। এই আবেদনকারীদের অবশ্যই অনলাইনে একটি সাক্ষাতের দিন ধার্য্য করতে হবে এবং এ ধরণের আবেদনগুলি, যদি হাই কমিশনে আবেদন দাখিল করার তারিখ থেকে আরও পরেও সাক্ষাতের তারিখ পড়ে, তারপরেও গ্রহণ করা হয়ে থাকে। (১) সরকারী কাজের উদ্দেশ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর আমলাদের ভারত ভ্রমণ- তাদের আবেদনপত্রগুলোর সাথে অবশ্যই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক একটি মৌখিক ঘোষণা (নোট ভার্বাল) থাকতে হবে। (২) ভিনড়ব দেশের কূটনৈতিক/ অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীগণের (অন্যথায় যাদের ভারতে ভ্রমণের জন্য ভিসা অর্জনের প্রয়োজন) অফিসিয়াল কাজের উদ্দেশ্যে ভারত ভ্রমণ- তাদের আবেদনপত্রগুলোর সাথে অবশ্যই নিজ নিজ কূটনৈতিক মিশন কর্তৃক একটি মৌখিক ঘোষণা (নোট ভার্বাল) থাকতে হবে। (৩) জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত ব্যক্তিগণের অফিসিয়াল কাজের উদ্দেশ্যে ভারত ভ্রমণ তাদের আবেদনপত্রগুলোর সাথে অবশ্যই নিজ নিজ অফিস কর্তৃক একটি মৌখিক ঘোষণা (নোট ভার্বাল) থাকতে হবে। কোথায় ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে? ভারতীয় ভিসার আবেদন কেন্দ্র (মিরপুর, ঢাকা) আল-আমিন আপন হাইট্স ২৭/১/বি (২য় তলা), শ্যামলী (শ্যামলী সিনেমা হলের উল্টাদিকে) মিরপুর রোড, ঢাকা-১২০৭ হটলাইন নম্বর: ০৯৬১২ ৩৩৩ ৬৬৬, ০৯৬১৪ ৩৩৩ ৬৬৬ ই-মেইল:info@ivacbd.com ওয়েবসাইট:www.ivacbd.com আবেদনপত্র গ্রহণের সময়: ০৮.০০-১৩.০০ ঘটিকা ভিসা প্রসেসিং ফি (আবেদনকারী জন প্রতি): ৬০০/- টাকা পাসপোর্ট ডেলিভারী (নির্দিষ্ট তারিখে): ১৫.৩০-১৮.৩০ ঘটিকা ছুটির দিন: ছুটির দিনের তালিকার জন্য এখানে ক্লিক করুন

বিদেশীদের জন্য ভিসা প্রসেসিং

সব শ্রেণীর ভারতীয় ভিসা, ওয়াক-ইন পদ্ধতিতে কোন অনলাইন সাক্ষাতের তারিখ/ ই-টোকেন ছাড়া গ্রহণ করা

হয়।

ক বিদেশী নাগরিকদের, বাংলাদেশে কর্মরত/বসবাসরত ব্যতীত, নিজ নিজ মাতৃভূমি বা সাধারণ বাসস্থানে

অবস্থিত ভারতীয় মিশন/পোস্ট থেকে তাদেও ভিসা অর্জনের পরামর্শ দেয়া হল। ভারতীয় হাই কমিশন,

গুলশান, ঢাকা/ সহকারী ভারতীয় হাই কমিশন, চট্টগ্রাম স্বাভাবিক ভাবেই বাংলাদেশে

কর্মরত/বসবাসরত বিদেশী নাগরিকদেও ভিসার আর্জি গ্রহণ করে থাকে।

খ পাকিস্তানী নাগরিকদের, ভিসার মূল আবেদনপত্রের সাথে ৪টি ছবি সহ আবেদনপত্রের আরও ৩টি

অনুলিপি/ কপি জমা দিতে হবে।

গ ভিসা ফি, একবার জমা হলে, আর ফেরত হয়না, এমনকি আবেদন যদি প্রত্যাহার করা হয় বা ভিসা

যদি প্রত্যাখ্যাত হয়, তবুও। (ভিসা ফি এর তালিকার জন্য এখানে ক্লিক করুন)

ঘ জমা দেয়ার জন্য যে অনলাইন ভিসার আবেদনপত্র, তার বর্তমান ঠিকানার ঘরে বাংলাদেশী ঠিকানা

এবং স্থায়ী ঠিকানার ঘরে পাসপোর্ট অনুযায়ী পূরণ করতে হবে।

 

অনলাইন ভিসার আবেদনপত্রের সাথে বাংলাদেশী ভিসা, পাসপোর্টের প্রম পাতা এবং শেষবারের

ভারতীয় ভিসা (যদি থাকে)-র ফটোকপি সঙ্গে আনতে হবে।

চ পাসপোর্ট জমা দেয়ার সময়: ০৮.০০ থেকে ১৩.০০ ঘটিকা এবং বিতরণের সময়: ২৫.৩০থেকে

১৭.০০ ঘটিকা।

ছ অনলাইন আবেদনপত্রের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নি¤ড়বলিখিত ঠিকানায় ব্যক্তিগতভাবে এসে দাখিল

করা যেতে পারে:

ভারতীয় ভিসার আবেদন কেন্দ্র (গুলশান, ঢাকা)

“লেক ভিউ”

বাসা# ১২, রোডা# ১৩৭, গুলশান-১

ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ

হটলাইন নম্বর: ০০৮৮-০২-৫৫০৪৪৮৭৯, ০০৮৮-০২-৫৫০৪৪৮৮০

ফ্যাক্স: ০০৮৮-০২-৫৫০৪৪৮৮৮

ই-মেইল: info@ivacbd.com

ওয়েবসাইট:www.ivacbd.com

আবেদনপত্র গ্রহণের সময়: ০৮.০০-১২.০০ ঘটিকা

ভিসা প্রসেসিং ফি (আবেদনকারী জন প্রতি): ৬০০/- টাকা

পাসপোর্ট ডেলিভারী (নির্দিষ্ট তারিখে): ১৬.০০-১৭.০০ ঘটিকা

ছুটির দিন: ছুটির দিনের তালিকার জন্য এখানে ক্লিক করুন





Design & Development By: